পঞ্চগড় ভ্রমণ ( তেতুলিয়া ,রকস মিউজিয়াম )



কোন  একদিন , তারিখ ছিলো ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সাল , দিনের শুরু - সকাল থেকে ওঠে পিকনিকে যাব কাল সেই প্রস্তুতি যেন সারাদিন । কি কাপর নিব ! কি দেখব আর ! কত ভাবনা , কত কি 

ট্রেন ছিলো রাত দুইটাই , রাতে ঘুমানোর চেস্টা করলাম পালাম না । আর কত কি ভাবনা !

রান্না করলাম পঞ্চগড় নিয়ে যাবার জন্য গরু মাংস আর ভাত !!!

তারিখ ছিলো ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সাল !!

তখন ছিলাম জয়পুরহাট শহরে বাড়িধারাতে  ট্রেন ছিলো রাত দুইটাই কিন্তু স্টেশনে ( জয়পুরহাট রেল স্টেশন )  গিয়েছিলাম রাত ১ টাই । 
আমরা ছিলাম ১৪ জনের মতো আমরা টিকিট কাটিনি । অপেক্ষা অপেক্ষা !! 

আমাদের একটা গ্রুপ ফটো  ছিলো ঳
গ্রুপ ফটো 


আমরা ছিলাম -  আমি নাসিম আহমেদ , মুশফিকুর রহমান ,তানভীর ভাসতা , অনিক ( ড্রাবিং মাস্টার ), শান্ত ,রিমন , মুগ্ধ , দুংখিত বাকী নাম মনে নেই । 

পরিচিত পূর্ব শেষ । 

আহা ট্রেন বাবা আত লেট সবাই মিলে মজা করছিলাম । দেখতে দেখতে ট্রেন আসলো ৪ ঘন্টা লেট ।
৫.৩০  জয়পুরহাট রেল স্টেশনে ট্রেন আসলো । সেই আনন্দ   এখন অ মনে পড়লে ভালো লাগে । ট্রেনে  ওঠলাম এখন টিটি সাথে বোঝা পরার জন্য প্রস্তুত নিলাম । আমারা স্টেশনে কিছু খাবার  কিনে ছিলাম সকালে খাবার জন্য ( বিস্কুট , মিনারেল ওয়াটার ) আমরা ট্রেনে ওঠা  একটু পর টিটি মামা আসো তার পর আমি আর টিটি মামা লেনদেন সম্পকে আলোচনা শূরু হলো টিটি মামার  সাথে আর কয়েকটি মামা ছিলো  । আমাকে টিটি মামা বলল কয়জন আছো আমি বললাম 10 জন আছি । শেষ পযন্ত ৩০০ টাকাই সবাই যেতে অনুমতি দিল । রাতের বেলাই ট্রেন ফাকা ছিলো তাই ইচ্ছা মতো ট্রেনে বসে ছিলাম সবাই । গান বাজনা সহ অনেক আনন্দ হয়েছিল 
ট্রেনের ভিওর 


আমরা সকাল 9.30 দিকে সম্ভব্য পঞ্চগড় পেীছালাম । খাবার খেয়ে ভ্রমন শুরু । যে ঠান্ডা বলার  মতো ছিলো না । 

প্রথম গিয়েছিলাম ভ্যানে চরে  ব্রিজের এই পার  গেলাম ১০ টাকা পিস ভাড়া ঠিক করে । তারপর 

রকস মিউজিয়াম 

জনপ্রতি ভাড়া নিল ১৫ টাকা পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজে  । রকস মিউজিয়াম ইতিহাস জানতে ক্লিক করুন
ভূগর্ভের নুড়ি পাথরের কালানুক্রমিক নমুনা নিয়ে পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজে গড়ে তোলা হয়েছে রকস মিউজিয়াম। কলেজের অধ্যক্ষ ড. নাজমুল হকের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ১৯৯৭ সালে এটি গড়ে ওঠে।  
সংযুক্তি প্রবেশ টিকিট 

                                                                             প্রবেশ টিকিট 
 

রকস মিউজিয়াম









রকস মিউজিয়াম ভিত্তরে দৃশ্য








এখানে কয়েকটি ছবি ছিলো তারমধ্যে অন্যতম আমাদের  গ্রুপ ফটো 

 
গ্রুপ ফটো 


এখানে মোটামুটি বেরানো শেষ ! এখন পরের ভ্রমন স্থান ছিলো সেই তেতুলিয়া ! 

তেতুলিয়া যাবার জন্য আমারা ঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজে থেকে ভ্যানে চরে বাস স্টান গেলাম তেতুলিয়া যাবার জন্য জন প্রতি ৬ ০ টাকা ভাড়া ঠিক করে টিকিট কাটলাম ।  একটু পর বাস আসল চরে রওনা দিলাম তেতুলিয়া পথে । 

প্রায় ১২.৩০ দিকে পেীছালাম তেতুলিয়া তে তারপর আমরা সবাই দুপুরের খাবার খাইলাম 



এখন তেতুলিয়া বসস্টান্ড থেকে তেঁতুলিয়া ডাক বাংলো যাবার জন্য ভ্যান রিজাভ নিলাম । ভাড়া পরেছিল 120 টাকা । 
পেীছালাম সেই ডাকবাংলো তে । তেঁতুলিয়া ডাক বাংলো (Tetulia Dak Banglaw) আদতে পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় অবস্থিত একটি রেস্ট হাউজ যা তাঁর ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং ডাকবাংলোর বারান্দা, ছাদ
কাঞ্চঞ্জঙ্ঘার দেখার চেস্টা

থেকে কাঞ্চঞ্জঙ্ঘার অসাধারন ভিউ এর জন্যে খ্যাতি লাভ করেছে। ঐতিহাসিক এই ডাক বাংলোর নির্মাণ কৌশল অনেকটা ভিক্টোরিয়ান ধাচের। জানা যায়, এটি নির্মাণ করেছিলেন কুচবিহারের রাজা।

তেঁতুলিয়া ডাক বাংলো
 







সেখানে গিয়ে মনো হলো একবড় পিকনিক স্পট । যেখানে অনেক মানুষের আগমন ছিলো । আমরা সবাই সেখানে নিজের মতো আনন্দ , ছবি তুলতে বাস্ত । 






তারপর সেখানে দেখার পর গেলাম পাশে মহানন্দা নদী যা হিমালয় পর্বত থেকে এসেছে । পানি খুব ঠান্ডা । গিয়ে দেখি 
মহানন্দা নদী তেতুলিয়া

মানুষ ঠান্ডা পানিতে পাথর কুরিয়ে আনছিল । নদীর পানিতে হাত দিলাম দেখলাম বরফ মতো ঠন্ডা । কয়েকটা ছবি তুললাম বাট রোদ ছিলো তাই ছবি ভালো মতো ওঠেনি । নদীর পাশে তুলা ছবি  একটা সংযুক্তি করা হলো 









খুব ভালো লাগল জীবনে ঠান্ডা পানির নদী দেখলাম । তারপর  আমরা হাওরা ব্রিজ , চা বাগান , সহ বাম্বু বাগান দেখার জন্য ভ্যান রিজাভ করলাম । প্রতি জন প্রতি ৩০ টাকা করে আপ ডাউন হিসাবে রওনা দিলাম । কয়েকটি ছবি সংযুক্ত ।
নদীর পাড়ে 




বাম্বু বাগান 



মোটামুটি অনেক মজার পর আমরা রওনা দিলাম বাসস্টান এর দিকে । এখন যাব কাজী এন্ড কাজী টি এস্টেট । জনপ্রতি ভাড়া ঠিক হলো ৫০ টাকা । 

কাজী এন্ড কাজী টি এস্টেট এসে প্রথমে আমরা চা বাগানে ছবি ওঠালাম তারপর আমরা আনন্দ রিসোট  এ গেলাম । ছবি সংযুক্তি 
কাজী এন্ড কাজী টি এস্টেট




দেশের প্রথম আগ্রনিক চা বাগান । 










নাসিম 



চা বাগান টি দেখে মন জুরে গেল । খুব সুন্দর আর রাবার এর বাগান দেখলাম । খুব অসাধারন ছিলো । 








কাজী এন্ড কাজী টি এস্টেটটা রওশনপুরের ভেতরে। আবার একে স্থানীয়রা আনন্দধারা নামেও চেনে। সদর থেকে গ্রামের ভেতর দিয়ে বেশ কয়েক কিলোমিটার আঁকাবাঁকা পথ পেরিয়ে যেতে হয় এই জায়গায়। এখানে যেতে চাইলে তিন্নু বাজার কিংবা যেখান থেকেই যান না কেন, রিজার্ভ অটো নেয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ। নাহয় কয়েক কিলোমিটার হেঁটেও কোনো কিছু পাবেন না।




কাজী এন্ড কাজী টি এস্টেট.আনন্দধারা রিসোর্ট ভিত্তরে । খুব অসাধারন । মনে হয়  ইউরোপে এসেছি । 
এখন সন্ধা হয়ে আসল বাড়ি ফেরার েপালা যেতে হবে তেতুলিয়া সেখান থেকে বাসে করে পঞ্চগড় স্টেশনে যেতে হবে । 
ট্রেন আমাদের রাত 10 টাই । আমরা আল্লার নাম নিয়ে রওনা দিলাম তেতুলিয়া পথে । 






খুব মিচ করছিলাম কেননা খুব ভালো লেগেছিল।










বাকী অংশ কিছু সময় পর আবডেট দেওয়া হবে ।।।


0 Comments